New
AROGYA SEVA KENDRA - Free Health Consultation - Click Here to Know More | BIMA BHAROSA - An Integrated Grievance Management System to facilitate policyholders and complainants - Click here to know more | Click here to link your KYC | Policies where the risk commencement date is on or after 1st October 2024, all the policy servicing shall be as per the IRDAI (Insurance Products) Regulations, 2024 dated 20th March 2024 and Master Circular on Health Insurance Business dated 29th May 2024

কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের খরচ কত?

India +91

ভারতে সাশ্রয়ী মূল্যের কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান

 

কার্ডিয়াক কম্পিউটেড টমোগ্রাফি (সিটি) স্ক্যান হলো এক ধরনের এক্স-রে, যা আপনার হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলোর একটি বিশদ চিত্র পেতে সাহায্য করে। চিকিৎসকেরা কোনো ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালী-সম্পর্কিত সমস্যা পরীক্ষা করার জন্য এই পরীক্ষাটি করার পরামর্শ দেন। এর মাধ্যমে ক্যালসিয়াম জমা হওয়া, রক্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদির মতো সমস্যা শনাক্ত করা যায়।


ভারতে একটি কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের খরচ প্রায় ৫,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা। তবে, স্ক্যানের ধরন, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা, অবস্থান ইত্যাদির মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপর দামের এই তারতম্য নির্ভর করে।


এ বিষয়ে আরও তথ্য এখানে দেওয়া হলো!


বিভিন্ন ধরনের কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের খরচ কত?


সাধারণ কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান রক্তনালী এবং হৃৎপিণ্ডের একটি চিত্র প্রদান করে। তবে, উন্নত সরঞ্জামসহ কিছু রোগ নির্ণয় কেন্দ্র উন্নততর রোগ নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের সুবিধা দিয়ে থাকে। 


এখানে তাদের কয়েকটি দেওয়া হলো:


১. করোনারি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি


এটি ধমনীর একটি ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্র প্রদান করে, যা সেগুলোর প্রতিবন্ধকতা নির্ণয়ে সাহায্য করে। সাধারণ সিটি স্ক্যানের চেয়ে করোনারি এনজিওগ্রাফির খরচ ৩,০০০ - ৫,০০০ টাকা বেশি।


২. ক্যালসিয়াম স্কোরিং


ক্যালসিয়াম স্কোরিং টেস্টের মাধ্যমে আপনার করোনারি ধমনীতে ক্যালসিয়াম জমার বিষয়টি শনাক্ত করা যায়। এটি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি নির্ণয়ে সাহায্য করে। এই পরীক্ষাটির খরচ সাধারণ পদ্ধতির চেয়ে ১,০০০ - ২,০০০ টাকা বেশি।


৩. সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি


এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের রক্তপ্রবাহের চলমান চিত্র পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। এই পরীক্ষাটি জটিল সমস্যার জন্য করা হয় এবং এর খরচ সাধারণ সিটি স্ক্যানের চেয়ে ৭০০০ থেকে ১০০০০ টাকা বেশি।


৪. স্ট্রেস সিটি স্ক্যান


স্ট্রেস সিটি স্ক্যান হৃৎপিণ্ডের উপর শারীরিক চাপ প্রয়োগের সময় তার ছবি তোলে। এটি ইস্কেমিয়া শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এই স্ক্যানের খরচ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় এবং অতিরিক্ত পর্যবেক্ষণ ও ইমেজিং পর্বের কারণে সাধারণত বেশি হয়ে থাকে; রোগীদের উচিত উন্নত কার্ডিয়াক ইমেজিং কেন্দ্রগুলির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে খরচের হার নিশ্চিত করে নেওয়া।


৫. হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ


এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের ভালভ এবং প্রকোষ্ঠগুলোর রক্ত পাম্প করার ক্ষমতা নির্ণয় করতে সাহায্য করে। এই পরীক্ষাটির খরচ একটি সাধারণ কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের চেয়ে ২,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা বেশি।


কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান কেন প্রয়োজন?


আপনার যদি নিম্নলিখিত কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে আপনার ডাক্তার একটি কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান করার পরামর্শ দিতে পারেন:

 

  • দীর্ঘস্থায়ী বুকে ব্যথায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান করানো প্রয়োজন। এটি হৃদপিণ্ড সম্পর্কিত বুকে ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে সাহায্য করে।
  • আপনার চিকিৎসক যদি করোনারি আর্টারি ডিজিজের লক্ষণ খুঁজে থাকেন, তবে এটিই সর্বোত্তম পদ্ধতি। এটি আপনার হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী নালীগুলোতে জমে থাকা যেকোনো অবাঞ্ছিত প্লাক শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • এটি হৃৎপিণ্ডের যেকোনো ত্রুটি, বিশেষ করে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্মগত রোগ শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  • যেকোনো হৃদরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসার আগে কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান করা আবশ্যক। এটি রক্তনালী এবং হৃৎপিণ্ডের একটি বিশদ চিত্র প্রদান করে, যা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের করোনারি বাইপাস সার্জারি বা অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টির মতো হৃদরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণে সহায়তা করে।
  • যাঁদের পারিবারিক ইতিহাসে হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে অথবা যাঁরা বিভিন্ন ঝুঁকির সম্মুখীন হন, তাঁদের সমস্যাগুলো আগেভাগে শনাক্ত করার জন্য সিটি স্ক্যান করানো উচিত।


ভারতে কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের খরচকে প্রভাবিত করে এমন কারণগুলো কী কী?


ভারতে একটি সিটি স্ক্যানের সামগ্রিক মূল্য বেশ কয়েকটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কারণের দ্বারা প্রভাবিত হয়, যার প্রত্যেকটিই একজন রোগীর প্রদেয় চূড়ান্ত পরিমাণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উপাদানগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকলে ব্যক্তিরা এই অত্যাবশ্যকীয় রোগনির্ণয় পদ্ধতিটি কোথায় এবং কীভাবে করাবেন, সে বিষয়ে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।


নিচে সেগুলো দেখে নিন:


১. সিটি স্ক্যানের প্রকারভেদ


যেমনটা আগেই আলোচনা করা হয়েছে, কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে এবং আপনি কোন পদ্ধতিটি করাচ্ছেন তার উপর ভিত্তি করে এর দামও ভিন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি বেসিক স্ক্যান করাতে প্রায় ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা খরচ হবে। 


তবে, সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি হৃৎপিণ্ডের একটি বিস্তারিত চিত্র প্রদান করে এবং এর খরচ সাধারণ পদ্ধতির চেয়ে ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা বেশি।


২. বৈসাদৃশ্য উপাদানের প্রয়োজনীয়তা


সিটি স্ক্যানের সময় ছবির মান উন্নত করার জন্য কনট্রাস্ট এজেন্ট ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি কেবল স্ক্যানের নির্ভুলতাই বাড়ায় না, বরং খরচও বৃদ্ধি করে।


৩. সুবিধাসমূহ


স্ক্যানের জন্য হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার নির্বাচন করাও সামগ্রিক খরচকে প্রভাবিত করে। হাসপাতালগুলো, বিশেষ করে যেগুলোর উন্নত সুবিধা এবং পরিচালন ব্যয় বেশি, তারা সিটি স্ক্যানের জন্য বেশি চার্জ করে। 


অন্যদিকে, স্বতন্ত্র ইমেজিং কেন্দ্রগুলো প্রায়শই আরও প্রতিযোগিতামূলক মূল্য প্রদান করে, যা খরচ-সচেতন রোগীদের জন্য সেগুলোকে একটি আকর্ষণীয় বিকল্প করে তোলে।


৪. প্রযুক্তি ও দক্ষতা


সর্বাধুনিক সিটি স্ক্যানার এবং উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তিতে সজ্জিত কেন্দ্রগুলো সাধারণত তাদের পরিষেবার জন্য বেশি মূল্য নিয়ে থাকে। এই কেন্দ্রগুলো উচ্চতর রোগনির্ণয় নির্ভুলতা এবং দ্রুত ফলাফল প্রদান করে, যা এই অতিরিক্ত মূল্যকে যৌক্তিক করে তোলে। 


এছাড়াও, অত্যন্ত অভিজ্ঞ রেডিওলজিস্ট বা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা স্ক্যানের জন্য বেশি ফি লাগতে পারে, যা তাদের দক্ষতা এবং প্রদত্ত সেবার মানকে প্রতিফলিত করে।

 

কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যানের প্রকারভেদগুলো কী কী?

 

কার্ডিয়াক সিটি স্ক্যান প্রধানত দুই প্রকারের হয়: করোনারি সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি এবং করোনারি আর্টারি ক্যালসিয়াম স্কোরিং।

 

১. করোনারি সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফি

 

এই স্ক্যানে শিরায় কনট্রাস্ট ডাই ইনজেক্ট করে করোনারি ধমনীগুলোকে স্পষ্টভাবে দেখা হয়। এর মাধ্যমে ডাক্তাররা ধমনীগুলো দেখতে পারেন এবং কোনো প্রতিবন্ধকতা, সংকীর্ণতা (স্টেনোসিস) বা অন্যান্য অস্বাভাবিকতা খুঁজে বের করতে পারেন। করোনারি সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রাফির খরচ প্রায় ৯,০০০–১৫,০০০ টাকা।

 

২. করোনারি ধমনীর ক্যালসিয়াম স্কোরিং

 

এই ধরনের স্ক্যানে কনট্রাস্ট ডাই ব্যবহার করা হয় না। এর মূল উদ্দেশ্য হলো করোনারি ধমনীতে ক্যালসিয়াম জমার পরিমাণ নির্ণয় ও পরিমাপ করা। করোনারি ধমনীতে ক্যালসিয়াম জমা হওয়া অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (প্লাক জমা) নির্দেশ করে এবং এটি হার্ট অ্যাটাক বা অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। করোনারি আর্টারি ক্যালসিয়াম স্কোরিং-এর খরচ প্রায় ₹২,৫০০–₹৪,২০০।

 

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

করোনারি সিটি অ্যাঞ্জিওগ্রামের মাধ্যমে জানা যায় আপনার করোনারি ধমনীতে প্লাকের কারণে কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা। প্লাক হলো কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপাদানযুক্ত একটি জটিল পদার্থ যা বছরের পর বছর ধরে ধমনীতে জমা হতে পারে।

সাধারণ এক্স-রের তুলনায় সিটি স্ক্যানে একজন ব্যক্তি বেশি বিকিরণের সংস্পর্শে আসেন। সময়ের সাথে সাথে বেশ কয়েকটি এক্স-রে বা সিটি স্ক্যান করালে আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। কিন্তু, যেকোনো একটি স্ক্যান থেকে জটিলতা খুবই সামান্য। আপনাকে এবং আপনার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীকে অবশ্যই একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যার সঠিক রোগ নির্ণয়ের সুবিধার বিপরীতে এই জটিলতাটি বিবেচনা করতে হবে।

Still choosing the right health plan?

We're here to guide you.

Mobile Banner
DISCLAIMER:
Health Insurance Coverage for pre-existing medical conditions is subject to underwriting review and may involve additional requirements, loadings, or exclusions. Please disclose your medical history in the proposal form for a personalised assessment.
This FAQ page contains information for general purpose only and has no medical or legal advice. For any personalized advice, do refer company's policy documents or consult a licensed health insurance agent. T & C apply. For further detailed information or inquiries, feel free to reach out via email at marketing.d2c@starhealth.in